Our Constitution

ঐক্যবদ্ধ বোচাগঞ্জ কল্যাণ সমিতি—ঢাকা
সংবিধান (প্রস্তাবিত)

ভূমিকা
1.1 সমিতির নাম: "ঐক্যবদ্ধ বোচাগঞ্জ কল্যাণ সমিতি—ঢাকা" (এবং সংক্ষিপ্তভাবে "সমিতি")।
1.2ভাবে কার্যক্রমের স্থান: এই সংবিধি সমিতির ধারাবাহিক কার্যক্রম বাংলাদেশের আইন ও নীতিমালা মোতাবেক পরিচালিত হবে; কেন্দ্রীয় কার্যক্রম প্রধানত ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকবে।
1.3 লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:

  • বোচাগঞ্জের উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগত উন্নয়ন, সামাজিক কল্যাণ ও সহায়তা।
  • নাশকতা, মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অন্যায় তথা সামাজিক কুচক্র প্রতিহত করা।
  • সৌহার্দ্য, ঐক্য, মানবতা, শান্তি ও উন্নয়ন প্রচার।
  • বোচাগঞ্জের সন্তানদের পেশাগত, শিক্ষা ও সামাজিকভাবে সমর্থন করা।

১। সদস্যপদ (Membership)
2.1 যোগ্যতা:

  • যে কেউ সদ্য বোচাগঞ্জে জন্মগ্রহণকারী বা বোচাগঞ্জ পরিবারের/সংশ্লিষ্ট যিনি ঢাকা বা আশেপাশের এলাকায় বাস করছেন, বয়স ১৮ বছর পূর্ণ এবং বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী যোগ্য নাগরিক হলে সদস্য হতে পারবেন।
  • জদ্দি গ্রাম/শহর নির্বিশেষে ধর্ম, বর্ণ, রাজনৈতিক মত পার্থক্য থাকবে না।
    2.2 আবেদন ও অনুমোদন:
  • লিখিত বা অনলাইন ফরম পূরণ করে প্রাথমিক আবেদন করতে হবে।
  • প্রবেশিকা ফি ও বার্ষিক সদস্য ফি বোর্ড নির্ধারণ করবে (প্রস্তাবে পরিমিত হার নির্ধারণ করা হবে)।
  • কার্যনির্বাহী পরিষদ (Executive Committee, EC) তিন দিনের মধ্যে আবেদন অনুমোদন বা অস্বীকৃতি জানাবে। অস্বীকারের কারণ জানানো বাধ্যতামূলক নয় তবে অনুকরণীয় হবে।
    2.3 সদস্যদের অধিকার ও দায়িত্ত:
  • সাধারণ সভায় ভোটাধিকার (নির্বাচনী ভোটে অংশগ্রহণ করতে হলে পূর্ব নির্ধারিত সদস্যপদ আপডেট থাকতে হবে)।
  • সমিতির সকল সুবিধা গ্রহণের অধিকার।
  • সমিতির নীতিমালা ও সিদ্ধান্ত মানা বাধ্যতামূলক।
    2.4 সদস্যপদ শেষ বা রদ:
  • গুরুতর নৈতিক লঙ্ঘন, অপরাধ, মাদকাসক্তি, সংঘবদ্ধ অপরাধ বা সমিতির ক্ষতি করার অপরাধী প্রমাণিত হলে EC আনুষ্ঠানিক শৃঙ্খলাবিধি অনুসরণ করে সদস্যপদ স্থগিত/রদ করতে পারবে। সদস্যের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে তাকে শুনানি (শুধু লিখিত নোটিশ বা সভায় উপস্থিত হয়ে) করার সুযোগ দিতে হবে।

২। গভর্নিং স্ট্রাকচার ও পদসমূহ (Committee Structure)
3.1 সাধারণ কার্যনির্বাহী পরিষদ (Executive Committee - EC):

  • সমিতির সর্বোচ্চ কার্যনির্বাহী কর্তৃপক্ষ হবে EC।
  • EC মোট সদস্যসংখ্যা (প্রস্তাবিত): ১১/১৩/১৫ — আপনি নির্দেশ দিলে নির্দিষ্ট আর সংখ্যা চূড়ান্ত করা যাবে। (নিচে একটি ১৩ সদস্য কাঠামোর নমুনা দেওয়া হল)
  • প্রস্তাবিত পদসমূহ:
    • সভাপতি (President) — ১ জন
    • ভাইস-সভাপতি (Vice-President) — ১-২ জন
    • সাধারণ সম্পাদক (General Secretary) — ১ জন
    • সহকারী সাধারণ সম্পাদক (Assistant General Secretary) — ১ জন
    • সাংগঠনিক সম্পাদক (Organizing Secretary) — ১ জন
    • অর্থ-সম্পর্কিত/কোষাধ্যক্ষ (Treasurer/Finance Secretary) — ১ জন
    • দপ্তর সম্পাদক (Office Secretary/Communication) — ১ জন
    • সাংস্কৃতিক/ক্রীড়া সম্পাদক — ১ জন
    • সদিচ্ছা/কল্যাণ সম্পাদক — ১ জন
    • তথ্যপ্রযুক্তি/মিডিয়া (IT/Media) — ১ জন
    • দু’টি সাধারণ সদস্য/কোষাধ্যক্ষ সহকারী — ২ জন
      3.2 দায়িত্ব ও ক্ষমতা:
  • EC সমিতির নীতিমালা প্রণয়ন, বার্ষিক কর্মসূচি, বাজেট প্রস্তাব ও বাস্তবায়ন, সদস্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত, ফান্ড সংগ্রহ ও ব্যয় অনুমোদন করবে।
  • EC সংসদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে কোয়ারাম নিশ্চিত করবে (প্রস্তাবিত: EC সভায় মোট পদগুলোর অর্ধেক + ১ জন উপস্থিতি)।
    3.3 উপ-কমিটি (Sub-committees):
  • শিক্ষা ও বৃত্তি, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া, উন্নয়ন প্রকল্প, তহবিল সংগ্রহ ইত্যাদি বিষয়ের জন্য EC প্রযোজ্য মেয়াদে উপ-কমিটি গঠন করতে পারবে। প্রতিটি উপ-কমিটিতে সর্বোচ্চ ৫ জন সদস্য থাকতে পারে এবং একজন সভাপতিকে নাম করতে হবে।

৩। নির্বাচন (Elections)
4.1 সাধারণনীতি:

  • EC প্রত্যেকটি পদ নির্বাচিত হবে সরাসরি সাধারণ সভায়; নির্ধারিত নির্বাচন পরিচালনা কমিটি/নির্বাচনী কমিশন (Election Commission - EC/ইলেকশন কমিশন; নিচে বিস্তারিত) দ্বারা পরিচালিত হবে।
  • নির্বাচনের মেয়াদ: ২ (দুই) বছর। নির্বাচন মেয়াদ সমাপ্তির পূর্বে ন্যূনতম ৩০ দিন ও সর্বোচ্চ ৬০ দিন আগে নির্বাচন বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে।
    4.2 নির্বাচন কমিশন (Election Commission - EC বা সংশ্লিষ্ট নাম অন্যকিছু):
  • নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার জন্য তফসিল প্রণয়ন ও তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে একটি স্বতন্ত্র নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন থাকবে। নির্বাচন কমিশন সদস্যসংখ্যা: ৩-৫ জন (প্রস্তাব: ৩ জন), যাদের মধ্য থেকে একজন নির্বাচন কমিশনার চেয়ারম্যান থাকবেন।
  • নির্বাচন কমিশন নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে (নির্বাচন কমিশন গঠন: সাধারণ সভার দ্বারা) গঠিত হবে এবং ইচ্ছামত EC সদস্য হতে পারবেন না যারা পরবর্তীতে নির্বাচন করছে।
    4.3 মনোনয়ন ও প্রতিপক্ষ:
  • মনোনয়নপত্র দাখিল করার শেষ তারিখ বিজ্ঞপ্তিতে স্থির করা হবে।
  • মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষ হয়ে চাইলে প্রতিপক্ষ খোলার জন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপত্তি জানাতে হবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে।
    4.4 ভোটগ্রহণ:
  • ভোটগ্রহণ গোপন ভোট (ব্যালট) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। অনলাইন/ইলেকট্রনিক ভোটিং অনুমোদন করা হলে নির্বাচন কমিশন তার প্রক্রিয়া নির্ধারণ করবে।
  • নির্বাচনী ফলাফল নির্বাচন কমিশনের ঘোষণাই চূড়ান্ত হবে যদি না প্রমাণভিত্তিক আপিল থাকে।
    4.5 আপিল ও পুনর্নির্বাচন:
  • নির্বাচনী অনিয়ম/বৈরী পরিস্থিতি প্রমাণিত হলে নির্বাচন কমিশন আপিল গ্রহণ করে পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করতে পারবে। আপিল পেতে সাবধান সময় (৩০ দিন) নির্ধারণ থাকবে।

৪। পদাধিকারীর মেয়াদ, ক্ষমতা ও দায়িত্ব
5.1 মেয়াদ: EC সদস্যদের মেয়াদ ২ বছর। মেয়াদ শেষ হতেই নতুন EC কার্যকর হবে। বিদায়ী এবং নবনির্বাচিত EC হস্তান্তর কার্যবিবরণী (handover report) সম্পন্ন করবে।
5.2 অপসারণ:

  • কোনো EC সদস্যকে জরুরি কারণে অপসারণ করতে হলে নিম্নলিখিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে:
    • EC সমন্বয়ে দু’তৃতীয়াংশ (2/3) বিনিময়ে অপসারণ প্রস্তাব উত্তীর্ণ হতে হবে অথবা সাধারণ সভার মাধ্যমে তিনতৃতীয়াংশ উপস্থিত সদস্যরে মতানুযায়ী অপসারণ করা যাবে।
    • অপসারণের পূর্বে সংশ্লিষ্ট সদস্যকে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়ে প্রতিরক্ষার সুযোগ দিতে হবে।
      5.3 শূন্যপদ পূরণ:
  • কোনো পদ শূন্য হলে অবশিষ্ট EC স্বল্প মেয়াদে অ্যাক্টিং/অস্থায়ীভাবে কাউকে নিয়োগ করতে পারবে; পরবর্তীতে আগামী সাধারণ সভা/নির্বাচনে স্থায়ী বিবেচনা করা হবে।

৫। সভা (Meetings)
6.1 বার্ষিক সাধারণ সভা (Annual General Meeting - AGM):

  • বছরে অন্তত একবার AGM পালন করা বাধ্যতামূলক। AGM-এ বার্ষিক প্রতিবেদন, আর্থিক বিবরণী, বাজেট অনুমোদন, নির্বাচন (যদি সময় আসে) ইত্যাদি আলোচনা হয়।
    6.2 বিশেষ সাধারণ সভা (Extraordinary General Meeting - EGM):
  • EC সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক বা EC-র এক তৃতীয়াংশ সদস্যের অনুরোধে বিশেষ সাধারণ সভা ডাকা যাবে। ক্যালেন্ডার/নোটিশ নিয়ম অনুসরণ করে কমপক্ষে ৭ দিনের নোটিশ দিতে হবে।
    6.3 EC সভা:
  • EC মাসিক বা প্রয়োজনমতো সভা করবে; জরুরি সিদ্ধান্তের জন্য ই-মেইল/অনলাইন মিটিংয়ের মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে, কিন্তু তা পরবর্তী সভায় নিশ্চিত করতে হবে।
    6.4 সভা নোটিশ ও কার্যবিবরণী:
  • সকল সভার নোটিশ কমিটির সচিব/বিভাগীয় কর্মকর্তা পাঠাবেন; সভার কার্যবিবরণী সংরক্ষণ করতে হবে এবং সদস্যদের অনুরোধে সরবরাহ করতে হবে।

৬। অর্থ ও সম্পদ (Finance & Assets)
7.1 তহবিলের উৎস:

  • সদস্য ফি, অনুদান, ডোনেশন, সামাজিক/সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে সংগ্রহ, সরকারি/বেসরকারি অনুদান, এবং সমিতি সম্পর্কিত আইনি ব্যবসা থেকে আয়।
    7.2 তহবিলের ব্যবহার:
  • প্রতিষ্ঠিত লক্ষ্য ও প্রস্তাবে উল্লেখিত কল্যাণমূলক কাজ, শিক্ষা বৃত্তি, উন্নয়ন প্রকল্প, জরুরি সাহায্য ইত্যাদিতে ব্যয় করা হবে।
    7.3 আর্থিক নিয়ন্ত্রণ:
  • বাজেট অনুমোদন EC কর্তৃক হবে; বড় লেনদেনে (নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করলে) দুই জবাবদিহি (যেমন সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষের স্বাক্ষর) বাধ্যতামূলক।
  • একাউন্টস ও বুক-রক্ষণ নিয়মিত করা এবং অডিট প্রতিবেদন AGM-এ উপস্থাপন করতে হবে; বছরে অন্তত একবার স্বতন্ত্র অথরিটি দ্বারা অডিট করা বাধ্যতামূলক।
    7.4 সম্পদ হস্তান্তর:
  • তহবিল ও সম্পদের হস্তান্তর নতুন EC-তে সম্পূর্ণ রিপোর্টসহ হবে; অনাবশ্যক ব্যয় করলে দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৭। শৃঙ্খলা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
8.1 শৃঙ্খলা লঙ্ঘন:

  • সদস্য বা EC সদস্য যদি সমিতির মর্মবাণী-বিরোধী, অনৈতিক বা অপরাধমূলক কাজে জড়িত প্রমাণিত হন, EC অনুসরণীয় নিয়মে শুনানি করে ব্যবস্থা নিতে পারবে—সতর্কবার্তা, স্থগিত, অনাবশ্যক হলে রদ করে দেয়া।
    8.2 অভিযোগ প্রক্রিয়া:
  • লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে EC এর নিকট সেটি দাখিল করা হবে; অভিযোগ যাচাই-বাছাই ও দীর্ঘমেয়াদি বিচারের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হতে পারে।
    8.3 বিরোধ নিষ্পত্তি:
  • অভ্যন্তরীণ বিবাদ-মীমাংসার জন্য নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী বা সালিশি বোর্ড স্থাপন করা হতে পারে; পর্যাপ্ত সময় ও নথি-প্রমাণ উপস্থাপনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

৮। নীতি ও কার্যবিধি (Code of Conduct)
9.1 সংস্থার প্রতি আনুগত্য:

  • সকল সদস্যকে সংস্থার লক্ষ্যমাত্রা মেনে চলতে হবে; ব্যক্তিগত রাজনৈতিক ক্যাম্পেইন সমিতির সম্পদ ব্যবহার করে করা যাবে না।
    9.2 স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা:
  • সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও আর্থিক ব্যবহারে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে; সদস্যদের স্বাধীনভাবে প্রশাসনিক তথ্য দেখতে পাওয়ার সুযোগ থাকবে প্রবিধান অনুযায়ী।
    9.3 বহুসংস্কৃতিবাদ ও বৈচিত্র্য:
  • সমিতি ধর্ম, বর্ণ বা যেকোন ভেদাভেদ ছাড়া সকলকে স্বাগত জানায়।

৯। সংশোধন (Amendment of Constitution)
10.1 সংবিধান সংশোধনের যোগ্যতা:

  • সংবিধানের কোন ধারা সংশোধন বা বর্ধিত করতে চাইলে AGM/EGM-এ সংশোধন প্রস্তাব আনতে হবে।
    10.2 অনুমোদন:
  • সংশোধন পাসের জন্য সাধারনত AGM-এ উপস্থিত সদস্যদের তিন-চতুর্থাংশ (3/4) বা EC নির্ধারিত উচ্চ অনুপাতের সমর্থন প্রয়োজন হতে পারে। (আপনি পছন্দ করলে অনুপাত পরিবর্তন করা যাবে; প্রস্তাবিত অনুপাত 2/3 বা 3/4)
    10.3 প্রস্তাব পদ্ধতি:
  • সংশোধনী নোটিশ AGM-র ন্যূনতম ৩০ দিন পূর্বে ঘোষণা করা হবে এবং সদস্যদের প্রয়োজনে লিখিতপ্রস্তাব বা আলোচনা করার সুযোগ দেওয়া হবে।

১০। বিলুপ্তি/সংস্থান বন্ধ (Dissolution)
11.1 বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত:

  • সমিতি বিলুপ্তির প্রস্তাব AGM-এ আনতে হবে এবং সেটি পাসের জন্য সর্বোচ্চ অনুপাত (প্রস্তাবিত: উপস্থিত সদস্যদের 3/4) প্রয়োজন।
    11.2 সম্পদের নিষ্পত্তি:
  • বিলুপ্তি হলে সমিতির অবশিষ্ট তহবিল ও সম্পদ সমিতির উদ্দেশ্য-সদৃশ কোনো স্থানীয়/জাতীয় স্বেচ্ছাসেবী বা কল্যাণ সংস্থায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে হস্তান্তর করা হবে; ব্যক্তিগতভাবে বিতরণ করা যাবে না।

১১। প্রয়োগযোগ্যতা ও আইনগততা
12.1 জাতীয় আইন:

  • সমিতির কার্যক্রম বাংলাদেশী আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে এবং কোন বিভ্রান্তিকর/আইনবিরোধী কার্যক্রম সম্পাদন করা যাবেনা।
    12.2 নিবন্ধন:
  • সমিতি যদি প্রয়োজনীয় আইনগত সুবিধা/অর্থনৈতিক কার্যক্রমের জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে চায়, EC তৎপরতার সঙ্গে প্রয়োজনীয় দাখিল ও কার্যক্রম করবে (NGO/ক্লাব/সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন ইত্যাদি)।

১২। রোল আউট পরিকল্পনা (প্রায়োগিক বিধি)
13.1 আরম্ভিক ব্যবস্থা:

  • প্রাথমিক প্রতিষ্ঠাকালে সংবিধির মূলে নজর রেখে অন্তত ১ বার অভিষেক সভা (ইনওর্নিং সভা) ডাকতে হবে এবং অস্থায়ী EC/নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে।
    13.2 সদ্য সদস্য তালিকা:
  • প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যদের একটি সূত্র (founding members) তালিকাভুক্ত করা হবে যাদের নাম, ঠিকানা, মোবাইল, ইমেইল নথিভুক্ত থাকবে।
    13.3 কার্যকর সময়:
  • এই সংবিধি AGM-এ গ্রহণের সাথে সঙ্গে কার্যকর হবে যদি AGM-র সিদ্ধান্তে তা মঞ্জুর হয়।

১৩। সংযুক্তি (Annexes — উদাহরণ ফর্ম)
14.1 সদস্য ফরম নমুনা (নাম, জন্মস্থান, ঠিকানা, যোগ্যতা ইত্যাদি)।
14.2 মনোনয়ন পত্র নমুনা (নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ফরম)।
14.3 অনুদান/হস্তান্তর রসিদ ফরম্যাট, আয়-ব্যয় রেকর্ড স্যাম্পল টেমপ্লেট।
14.4 অপসারণ/শৃঙ্খলা তদন্ত ফরম্যাট।

নমুনা আরেক দফা: নির্বাচন-নির্দেশনা (বিস্তৃত)

  • নির্বাচন কমিশন গঠন AGM-এ ঘোষিত হবে এবং তার পরে নির্বাচন সংক্রান্ত বিস্তারিত সময়সূচী (প্রচারকাল, মনোনয়ন, মনোনয়ন যাচাই, ভোট গ্রহন/কাউন্টিং) ৩০ দিন পূর্বে নিশ্চিত করা হবে।
  • ভোটাধিকারের জন্য সদস্যকে নির্দিষ্ট কাটা-দিনের মধ্যে (যেমন নির্বাচন ঘোষণার ৩০ দিন আগে) অন্তত ৩ মাসের সদস্যপদ জমা রাখতে হতে পারে — নীতি নির্ধারণ EC-র উপর নির্ভর করবে।
  • ভোট গণনার জন্য নিরপেক্ষ কাউন্টারদের ব্যবস্থা করা হবে এবং ফলাফলের কপি AGM-এ প্রদর্শন করা হবে।

Convener Message

MD Tanjir Rejwan Chowdhury

Convener

Joint Convener

Md Najimuddin Sarkar

Joint Convener

Helpline Number

Emergency service Child Helpline

Our Google Location

Design and Development By-